২০২৬ সালের শুরু থেকে মিসরের সাধারণ গোয়েন্দা শাখা (GID) মেজর জেনারেল হাসান রাশাদের নেতৃত্বে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরু করে। এতে চীনের গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থাও যোগ দেয়। মূল লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা ‘মোসাদ’-এর প্রভাব সীমিত করা এবং নিজেদের কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করা।
🔹 মিসর ও চীন যৌথভাবে গোয়েন্দা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়ায় যাতে মোসাদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং চাপ সৃষ্টি করা যায়।
🔹 লিবিয়া, সুদান, উগান্ডা ও সোমালিয়া সহ হর্ন অব আফ্রিকা অঞ্চলে তারা ইসরায়েলি তৎপরতার বিরুদ্ধে সতর্কমূলক পদক্ষেপ নেয়।
🔹 বিশেষ করে সুদানে মোসাদের সম্ভাব্য সমর্থন-কে চিহ্নিত করে সেখানকার নিরাপত্তা উন্নয়নে নজর রাখে মিসর-চীন সহনশীলতা।
🔹 চীন এখানে তার বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রণালী-র স্বার্থ রাখতে ও নীল নদের বিতর্কিত অঞ্চলে ইসরায়েলের নীতির বিরোধিতা করার জন্য মিসরের সাথে কাজ করে।
🔹 সোমালিল্যান্ডের স্বাধীনতা স্বীকৃতি, নীল নদ অববাহিকার বিতর্ক, এবং আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের সরকারি পর্যায়ে ইসরায়েল-চীনের মাঝে কূটনৈতিক উত্তেজনা দেখা দেয়।
সারসংক্ষেপে, মিসর ও চীন যৌথভাবে আফ্রিকায় মোসাদের প্রভাব সীমিত করার জন্য কৌশলগত ও গোয়েন্দা সহযোগিতা জোরদার করেছে, বিশেষত এমন অঞ্চলে যেখানে ইসরায়েলি কার্যক্রম তাদের রাষ্ট্রীয় স্বার্থের বিপরীতে কাজ করছে।
মন্তব্য করুন