কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় ওয়াজ মাহফিলে যাওয়ার পথে মো. শরিফুল ইসলাম (১৮) নামের এক তরুণকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে ঢাকার ডেল্টা হেলথ কেয়ার হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় আহত তরুণের বাবা শহীদ মিয়া (৬৫) বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে পাকুন্দিয়া থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১০-১২ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন, উপজেলার কুড়তলা এলাকার মো. আবদুল্লাহ্ (২০) ও রাব্বি (২১), হিজলিয়া বাঘের বাড়ির খলিল (২০), হিজলিয়া এলাকার রাকিভ (১৯) এবং বরাটিয়া এলাকার অনিক (১৯)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ অক্টোবর রাতে ওয়াজ শোনার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে স্থানীয় আউয়াল মাস্টারের সামনে পৌঁছালে ওত পেতে থাকা দুর্বৃত্তরা দা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা তাঁকে পিঠে ও কোমরে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে গুরুতর জখম করে।
পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন। বর্তমানে তিনি রাজধানীর ডেল্টা হেলথ কেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহতের বাবা শহীদ মিয়া বলেন, আমার ছেলের অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস. এম. আরিফুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় মামলা রেকর্ড হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।