মাদকাসক্তি পরীক্ষার (ডোপ টেস্ট) ফলাফলে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশের ড্রাইভার কনস্টেবল মোঃ ওসমান গনির শরীরে মাদকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে (ডোপ টেস্ট পজিটিভ)। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

​অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য ওসমান গনি ঢাকার ধামরাই উপজেলার সাহাবেলীশ্বর গ্রামের আঃ কুদ্দুছের ছেলে। তিনি বর্তমানে কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশে ড্রাইভার কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।

​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি চালচলন ও কর্মকাণ্ডে সন্দেহ দেখা দিলে ওই পুলিশ সদস্যকে নজরদারিতে রাখা হয়। পরবর্তীতে বাহিনীর অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখার অংশ হিসেবে তাঁর ডোপ টেস্ট করানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে তার ডোপ টেস্ট করা হয়। এতে তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, ডোপ টেস্টে মাদকের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযুক্ত কনস্টেবলের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

​পুলিশ সুপার আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশে মাদকের কোনো স্থান নেই। মাদকের ব্যাপারে জেলা পুলিশের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি। পুলিশ সদস্যদের ক্ষেত্রেও এ নীতি সমভাবে প্রযোজ্য। মাদকের সঙ্গে জেলা পুলিশের কোনোভাবেই ন্যূনতম সংযোগও নেই- আমরা এটি নিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর। এ কারণে আমরা যাদেরকে সন্দেহ হচ্ছে, তাদেরকেই ডোপ টেস্ট করাচ্ছি। এর ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার কনস্টেবল মো. ওসমান গনির ডোপ টেস্ট করানো হয়। এখন এই পুলিশ সদস্য ডোপ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।