দৈনিক ‘আগামীর সময়’ পত্রিকায় প্রকাশিত অর্থ পাচারের সংবাদকে সম্পূর্ণ কাল্পনিক, মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম। প্রতিবেদনটিতে তাঁর বিরুদ্ধে আনা তথ্যগুলোকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর আখ্যা দিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট পত্রিকাকে একই গুরুত্বের সঙ্গে সংশোধনী প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন।

​গতকাল সোমবার সাংবাদিকদের দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রতিমন্ত্রী এই ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানান।

​গত ৮ জুন নতুন প্রকাশিত পত্রিকা ‘দৈনিক আগামীর সময়’-এর প্রথম পাতায় ‘রপ্তানির আড়ালে চাঞ্চল্যকর অর্থ পাচার’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে বেস্ট লেদার কোম্পানি লিমিটেডের বিরুদ্ধে প্রায় ৩৩ কোটি টাকা রপ্তানি আয় দেশে না এনে পাচারের অভিযোগ তোলা হয় এবং শরীফুল আলমকে প্রতিষ্ঠানটির তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

​এই তথ্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে শরীফুল আলম বলেন, “প্রতিবেদনে আমাকে বেস্ট লেদার কোম্পানির এমডি হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ভুল। আমি এই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নই এবং কখনো ছিলামও না।”

​তিনি স্পষ্ট করেন, বেস্ট লেদার কোম্পানি লিমিটেডের একজন পরিচালক হিসেবে তিনি সম্পৃক্ত থাকলেও, প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত কোনো ধরনের অর্থ পাচারের অভিযোগের সঙ্গে তাঁর বিন্দুমাত্র সম্পর্ক নেই।

​প্রতিমন্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “যথাযথ যাচাই-বাছাই ও সত্যতা না জেনেই আমার নাম জড়িয়ে এই ধরনের মনগড়া প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি আমার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার একটি সুদূরপ্রসারী অপচেষ্টা।”

​ভুল তথ্য উপস্থাপনের দায়ে সংবাদপত্রের নৈতিকতা মেনে যে স্থানে ও যে গুরুত্ব দিয়ে মূল প্রতিবেদনটি ছাপা হয়েছিল, ঠিক একই স্থানে ও সমান গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সংশোধনী প্রকাশের জোর দাবি জানান তিনি। একই সাথে এই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদের বিরুদ্ধে খুব শীঘ্রই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী।

​উল্লেখ্য, মো. শরীফুল আলম কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি এবং কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য।